জগন্নাথপুর থানায় সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নানসহ ৩১ জনের নামে মামলা


সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর হামলার  অভিযোগে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানসহ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে ও ১০০/১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি  করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গতরাতে  জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান আকন্দ সাংবাদিকদের মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলাটি দায়ের করেন জগন্নাথপুর উপজেলার  বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ আমিন নূর।

জগন্নাথপুর থানা–পুলিশ ও এজাহার সূত্র জানা যায়, গত আগস্টের ৫ তারিখে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১ দফার দাবিতে বিএনপি নেতৃবৃন্দ পৌর পয়েন্টে অবস্থান করলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদেরকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে হামলা করেন। এসময় তিনি সহ বিএনপি নেতাকর্মীরা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেন।

মামলায় এজহারভূক্ত আসামিরা হলেন, ১। এম. এ. মান্নান (৬০), সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী, থানা- শান্তিগঞ্জ, ২। সিদ্দেক আহমদ (৬০), পিতা- আলী আহমদ সহ-সভাপতি সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ, ৩। জয়া সেন, সাবেক সংসদ সদস্য, সুনামগঞ্জ-২, স্বামী- মৃত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ৪। মোঃ মুহিবুর রহমান মানিক, সাবেক সংসদ সদস্য, সুনামগঞ্জ-৫, ৬। এডঃ রঞ্জিত সরকার, সাবেক সংসদ সদস্য, সুনামগঞ্জ-১, পিতা- স্বগীয় মনমোহন সরকার, ৭। মোঃ সাদিক, সাবেক সংসদ সদস্য, সুনামগঞ্জ-৪, ৮। মিজানুর রহমান (৫০), পিতা-হিরন মিয়া, সহ-সভাপতি, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৯। নুরুল ইসলাম (৫৬) সভাপতি, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পিতা- সাজ্জাদুল ইসলাম, ১০। মোঃ শফিক মিয়া (৫৪), সহ-সভাপতি, সৈয়দপুর শাহাড়পাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, পিতা- মৃত মোঃ শরিয়ত উল্লাহ, সাং- তিলক, থানা- জগন্নাথপুর, জেলা- সুনামগঞ্জ, ১১। আতিকুর রহমান (৪৫), পিতা- সাহিদুর রহমান, সভাপতি, ৩নং মীরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, ১২। মনু মিয়া (৫৫), পিতা- মৃত আছদ্দর আলী, সাধারণ সম্পাদক, ২নং পাটলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, ১৩। রেজাউল করিম রেজু (৫৫), পিতা- জিয়াউল হক, সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ, ১৪। কামাল উদ্দিন (৪০), পিতা-জামাল উদ্দিন, সভাপতি, জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগ, ১৫। লালন (৪০), পিতা-মতন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগ, ১৬। মুহিবুর রহমান (৩৫), পিতা- গয়াছ মিয়া, সভাপতি, ২নং পাটলী ইউনিয়ন যুবলীগ, ১৭। আব্দুল মুকিত (৩০), পিতা- আব্দুল বাছিত, সভাপতি, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগ, ১৮। এন. আই রোকন (২৮), পিতা- মতছির আলী, সহ-সভাপতি, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগ, ১৯। রাজ শেখর বৈদ্য (২৮), পিতা- সুজিত শেখর বৈদ্য, সহ-সভাপতি, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগ, ২০। তুহিন আহমদ (২৩), পিতা- ফুল মিয়া, সাং-লোহারগাঁও, সাংগঠনিক সম্পাদক, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগ, ২১। মাহবুব হোসেন জনি (২৮), পিতা- ওয়াদুদ মিয়া, সহ-সভাপতি, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগ, সাং- শ্রীরামশী, ২২। তাহা আহমদ (২৫), পিতা- আলী আহমদ, সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগ, ২৩। মারজান ভূইয়া (২৫), পিতা- মিজান ভূইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগ, সাং- আশারকান্দি, ২৪। বাহার আহমেদ (২৫), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগ, ২৫। তানভীর আহমদ (২৫), পিতা- রহিম মিয়া, সাং- লোহারগাঁও, সদস্য, জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগ, ২৬। সৈয়দ সমসাদ আহমদ (২৩), পিতা- সৈয়দ জিগার আহমদ, সাং- পীরগাঁও, সাংগঠনিক সম্পাদক, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগ, ২৭। ছালিক মিয়া (৪০), পিতা- অজ্ঞাত, সাং- বাড়ী জগন্নাথপুর, সভাপতি, জগন্নাথপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ২৮। মারুফ আহমদ (৪০), পিতা- অজ্ঞাত, সাং- কালীগঞ্জ, সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথপুর স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ২৯। কল্যাণ কান্তি দে (২৩), পিতা- মিনাল কান্তি দেন, সাং- তিলক, সাংগঠনিক সম্পাদক, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগ, ৩০। সাইদুর রহমান (৩৫), পিতা- সাজিদ মিয়া, সাং-মইজপুর, সদস্য জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগ, ৩১। আব্দুল মুমিন (২৫), পিতা-আব্দুর রউফ, সাং- কবিরপুর, যুবলীগ ক্যাডার জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগ, সহ আরও ১০০/১৫০জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে রাখা হয়েছে।